মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

চাইল্ড ইনটেগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরাম

প্রেক্ষাপটঃ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বাস করতেন- আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই শিশুরা যেন সৃজনশীল, মননশীল এবং মুক্তমনের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে, তিনি সব সময় সেটাই চাইতেন। অহিংসা, মানবপ্রেম ও ভালোবাসা দিয়ে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শই সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার পাথেয়। কর্মব্যস্ত জীবনে মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে বঙ্গবন্ধু শিশুদের সান্নিধ্য পছন্দ করতেন। বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সময়ে কচি-কাঁচার মেলা, খেলাঘরসহ অন্যান্য সংগঠনের শিশুবন্ধুদের অনুষ্ঠান ও সমাবেশে শিশুদের উপস্থাপনা উপভোগ করতেন। তিনি এতো সহজে ও এতো আন্তরিকভাবে শিশুদের সঙ্গে মিশে যেতেন যে, শিশুরাও তাঁকে খুব কম সময়ের মধ্যেই আপন করে নিতো। শিশুদের প্রিয় মানুষ বঙ্গবন্ধু শিশুদেরই কল্যাণে ১৯৭৪ সালের ২২ জুন ‘জাতীয় শিশু আইন’ (চিলড্রেন অ্যাক্ট) জারি করেন। এই আইনের মাধ্যমে শিশুদের নাম ও জাতীয়তার অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশুদের প্রতি সব ধরনের অবহেলা, শোষণ, নিষ্ঠুরতা, নির্যাতন, খারাপ কাজে লাগানো ইত্যাদি থেকে নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যে শ্রম দিয়েছেন তা বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ই মার্চকে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষাকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো- শতভাগ ছাত্রছাত্রীর মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম, নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নেবার জন্য প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত উপবৃত্তি ব্যবস্থা, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, শিক্ষকদের চাকরি সরকারীকরণ ইত্যাদি। এছাড়াও শিক্ষার সুবিধাবঞ্চিত গরিব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২” প্রণয়ন করা হয়েছে যার আওতায় গঠন করা হয়েছে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। “জাতীয় শিশু নীতি-২০১১” প্রণয়নের মাধ্যমে সুরক্ষিত হয়েছে শিশুদের সার্বিক অধিকার। এছাড়াও শিশুর সুষ্ঠু শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সরকার গ্রহণ করেছে নানাবিধ পদক্ষেপ।

 

মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে জাতির পিতার সোনার বাংলার স্বপ্ন ক্রমেই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। যদি কোন পিতা বা মাতা তার সন্তানকে সততা, শিক্ষা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে চান, তাহালে বঙ্গবন্ধু একজন অনুকরণীয় আদর্শ। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যদি যথাযথভাবে বঙ্গবন্ধুর চর্চা করা হয়, তাহলে শৈশব থেকেই নি:সন্দেহে শিশুদের মধ্যে এসব গুণাবলীর বহি:প্রকাশ ঘটবে এবং কৈশোর ও যৌবনে এসব গুণাবলি আরো সম্প্রসারিত হবে। আর সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ঘটনায় বুঝা যায় যে, মানুষের নৈতিক ও মূল্যবোধগত যথেষ্ট অধ:পতন ঘটেছে। মেধাবী বুয়েটিয়ান কর্তৃক আবরার হত্যা, ব্যাপক হারে শিশুধর্ষণ, গণধর্ষণ, কিশোর গ্যাংদের আবির্ভাবের মত ঘটনাগুলির মাধ্যমে সমাজের সার্বিক অবনমনই প্রতিভাত হয়। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক বা ক্যাসিনোর প্রাচুর্যের ঘটনাবলিও মানুষের অত্যধিক নৈতিক অবক্ষয় প্রকাশ করে। এ সকল ঘটনার মূলেই রয়েছে শৈশব থেকেই শিশুদের মধ্যে যথার্থ নৈতিকচর্চার অভাব। এ সম্পর্কে তিব্বতীয় নেতা দালাইলামার উক্তি প্রণিধানযোগ্য,  “When educating the minds of our youths, we must not forget to educate their hearts.” নৈতিকতা চর্চার গুরুত্ব অনুধাবন করে জাপানের স্কুলগুলোতে বহু আগে থেকেই সপ্তাহে কমপক্ষে একটি ঘণ্টা নৈতিকতা শিক্ষার জন্য বরাদ্দ রাখা হয় এবং ২০১৮ সাল থেকে প্রাথমিক ও জুনিয়র স্কুলগুলোতে নৈতিক শিক্ষাকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিষয় হিসেবে ক্যারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্বুদ্ধকরণে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এ সকল বাস্তবতার প্রেক্ষিতেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিটি বিদ্যালয়ে এবং প্রতিটি মহাবিদ্যালয়ে জেলা প্রশাসন, খুলনার উদ্যোগে "চাইল্ড ইনটিগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরাম" প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যেন শৈশব থেকেই শিশুদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা, মানবিকতা, মূল্যবোধ এবং মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনা চর্চার উপযুক্ত  পরিবেশ তৈরী হয় এবং পরিণত বয়সে যেন তারা প্রকৃত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। যেহেতু আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সোনার বাংলার রূপকার; তাই এ প্রজন্মের হাত ধরেই আসবে আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলার সোনালী প্রভাত ।

 

ভিশন

সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে সততা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও নিষ্ঠার আলোকে উদ্ভাসিত এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলা।

মিশন

জেলার প্রতিটি শিশুকে একটি  সুপ্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্কের আওতায় এনে মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা করা।

 উদ্দেশ্য:

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ত্রিমাত্রিক উদ্দ্যেশ্যে এ ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

  • অন্তর্ভুক্তিমূলক: সকল শিশুকে একটি নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করা।
  • তথ্যমূলক: মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চর্চা এবং নৈতিক গুনাবলির সমন্বয় করা; সাথে সাথে জ্ঞানার্জনের প্রতি শিশুদের আগ্রহী করা।
  • আচরণগত পরিবর্তন: নীতি নৈতিকতা, সততা ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা করা।

কার্যাবল

১। শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা শিক্ষার প্রসার করা এবং  শৈশব থেকেই নীতিবান, সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে তাদের    যথার্থ শিক্ষাদান।

২। সামাজিক ও জাতীয় মূল্যেবোধের চেতনার বীজ শিশুদের মনে বপন করা এবং কৈশোরে যেন তা উপযুক্তভাবে পরিষ্ফুটিত হয় সেজন্য পরিকল্পিত শিক্ষাদান।

৩। শিশুদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনা লালন করা এবং পরিণত বয়সে যেন তারা তা ধারণ করতে পারে সেজন্য সাপ্তাহিক আলোচনা ও পাঠচক্র পরিচালনা।

৪। শিশুদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সহজীকরণ এবং ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর বিস্তারিত ধারণা প্রদান।

৫। "পরিচ্ছন্ন গ্রাম, পরিচ্ছন্ন শহর" কর্মসূচি সম্পর্কে ধারণা প্রদান এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার মানসিকতা তৈরী করা।

৬। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে শিশুদেরকে সচেতন করা।

৭। উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ুগত প্রভাব সম্পর্কে জ্ঞানদান ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন সম্পর্কে ধারণা প্রদান।

৮। খুলনা জেলার অবস্থান উপকূলীয় অঞ্চলে হওয়ায় শিশুদেরকে উপকুলীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে পাঠদান এবং দুর্যোগের     প্রস্তুতিমূলক কর্মশালা আয়োজন।

৯। খুলনা জেলার অনেকাংশ জুড়েই  বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের অবস্থান হওয়ায় ‘World heritage site’ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কে শিশুদের মধ্যে আলোচনা।

১০। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্কুলে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা।

১১। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, টেলিফিল্ম এবং সিনেমা প্রদর্শনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করা।

১২। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের মাধ্যম হিসেবে রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ সফল করার মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিশুদের নিয়ে -

(ক) Debating Club গঠন,

(খ) কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন,

(গ) উপস্থিত বক্তৃতা শিখন এবং

(ঘ) One Day One Word প্রোগ্রামের মাধ্যমে Reading, Writing  এবং Listening Skill তৈরী করা।

১৩। বঙ্গবন্ধুর নিজের লেখা এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গবেষণামূলক বিভিন্ন বই সংগ্রহ করা।

১৪। শিশু অধিকার সনদ এবং সংবিধানের আলোকে নিজেদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে শিশুদেরকে সচেতন করা।

১৫। বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন।

১৬। শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ।

১৭। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন গোলসমূহের ধারণা শিশুদের মাঝে সহজীকরণের জন্য ব্যবহারিক ও  

       তথ্যমূলক পাঠ এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।

 

১৮। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন এবং বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণ চর্চা করা।

১৯। মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও নৈতিকতা বিষয়ক বই বিনামূল্যে বিতরণ।

২০। গ্রহণযোগ্য ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি বন্ধুসুলভ প্লাটফর্ম তৈরী করা ।

২১। প্রতিবন্ধী ও জাতিগত সংখ্যালঘু শিশুদের অন্তর্ভুক্তকরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।

২২। শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ও নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশে-বিতর্ক, কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন।

২৩। শ্রেণিভিত্তিক খেলার দল গঠন করে খেলার আয়োজন ও শিশুদের দলীয় ব্যবস্থাপনা শেখানো।

২৪। শিক্ষা সফরের আয়োজন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা।

২৫। শিশুদের মধ্যে অটিজম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা প্রদান এবং তাদের সাথে অধ্যয়নরত অটিস্টিক শিশুদের প্রতি সহমর্মী করে

       গড়ে তোলা।

২৬।  পরিবেশ দূষণ  (বিশেষ করে শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ) সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করে তোলা এবং সে অনুযায়ী দূষণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের শিক্ষাদান।

২৭।  শিশুদের মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গঠনে শিক্ষাদান।

২৮।  শিশুদের ট্রাফিক আইন ও রোড সিগন্যাল সম্পর্কে সচেতন করা এবং নিরাপদ সড়ক আইন সম্পর্কে ধারণা প্রদান।

২৯। শৈশব থেকেই শিশুদেরকে নিজের কাজ নিজে করার জন্য (উন্নত বিশ্বের প্রাক্টিস অনুযায়ী) মোটিভেশন করা।

৩০। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম- পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচি সম্পর্কে শিশুদেরকে ধারণা দেয়া এবং বিদ্যালয় থেকেই শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে অনুশীলনের অভ্যাস গড়ে তোলা।

পরিশেষে বলা যায়, একটি আদর্শ জাতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সুশিক্ষার বিকল্প নেই। আর সুশিক্ষার আদর্শগত উৎকর্ষের নিমিত্তে প্রয়োজন সততা, নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও নিষ্ঠার আলোয় শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে আলোকিত করা। আর এ লক্ষ্যেই “চাইল্ড ইনটেগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরাম” এর অভিযাত্রা। জেলা প্রশাসন, খুলনার উদ্যোগে স্কুল-কলেজে এ ফোরাম প্রতিষ্ঠা ইতোমধ্যেই সর্বমহলে ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ফলপ্রসূ পরিবর্তনে এ ফোরাম যথার্থ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সকলেই অত্যন্ত আশাবাদী।

ছবি


সংযুক্তি

চাইল্ড ইনটেগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরাম চাইল্ড ইনটেগ্রিটি ও শিশু বঙ্গবন্ধু ফোরাম


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter